
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক পাপ্পু হোসেন সাম্প্রতিক ভারত ম্যাচে মাঠে নামতে না পারলেও ড্রেসিংরুমে ছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হিসেবে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ঐতিহাসিক জয়ের সাক্ষী হয়ে তিনি সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছেন দলের তারকা খেলোয়াড় হামজা চৌধুরীর নিরহংকার আচরণে। কালবেলার সঙ্গে আলাপকালে পাপ্পু জানান নিজের অভিজ্ঞতা, ম্যাচ অনুভূতি ও সতীর্থদের ভূমিকার কথা।
ভারতের বিপক্ষে ২২ বছর পর জয়ের অংশ হতে পারাকে জীবনের সেরা অর্জন বলে মন্তব্য করেন পাপ্পু। তিনি বলেন, ড্রেসিংরুম থেকে শেষ বাঁশির মুহূর্ত পর্যন্ত পুরো দল একাত্ম হয়ে লড়েছে। এই জয়ের গুরুত্ব দেশের ফুটবলের জন্য অপরিসীম।
স্টেডিয়ামজুড়ে অভূতপূর্ব দর্শক উন্মাদনাও তাকে আবেগাপ্লুত করেছে। পাপ্পুর ভাষায়, এমন উৎসাহ আগে কখনও দেখেননি। এই সমর্থনই ফুটবলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার শক্তি তৈরি করছে।
ভারত ম্যাচকে তিনি মর্যাদার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেন। দলের লক্ষ্য ছিল রক্ষণ শক্ত রাখা ও প্রতি-আক্রমণে সুযোগ নেওয়া। তার মতে, শেখ মোরসালিনের শুরুর গোলটি ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল হামজা চৌধুরীর গোল-লাইন সেভ, যা ম্যাচের দিক পুরোপুরি পাল্টে দেয়।
হামজাকে সতীর্থ হিসেবে মূল্যায়ন করতে গিয়ে পাপ্পুর কণ্ঠে ঝরে পড়ে প্রশংসা। তিনি বলেন, এত বড় তারকা হয়েও হামজার মধ্যে একটুও অহংকার নেই। তিনি সবার সঙ্গে মিশেন, দলকে উৎসাহ দেন এবং পেশাদারিত্ব দিয়ে অনুপ্রাণিত করেন।
জাতীয় দলে বড় ভাইয়ের সঙ্গে একসঙ্গে খেলা নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন পাপ্পু। শৈশবের সঙ্গী হয়ে এখন দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামা তার কাছে বিশেষ গর্বের।
সিএনআই/২৫