২৮শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার
১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি হলো জনগণের “গাঠনিক ক্ষমতা”, অর্থাৎ সংবিধান পুনর্গঠনের ক্ষমতা জনগণের হাতেই ন্যস্ত।

শেয়ার করুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর তাঁর বিশ্লেষণে বলেছেন, জুলাই সনদ একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতা, তবে এর বাস্তবায়নের পথে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—দলগুলোর ভিন্নমত, স্বাক্ষর না করা দল, আইনগত ভিত্তি নিয়ে দ্বিধা এবং গণভোটের রূপরেখা নিয়ে মতভেদ।

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, জনগণের অনুমতি ছাড়া কোনো সরকার বা কমিশন সংবিধান পরিবর্তনের অধিকার রাখে না। ইতিহাস প্রমাণ করে, জনগণের সম্মতি ছাড়া পরিবর্তনের চেষ্টা করলে তা বিভাজন ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে। তাই তিনি প্রস্তাব করেছেন—

  • একটি সরল ও মৌলিক প্রশ্ন নিয়ে গণভোট আয়োজন করা উচিত,

  • যেখানে জনগণ সিদ্ধান্ত দেবে পরবর্তী সংসদকে সংবিধান পুনর্গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হবে কি না।

এই পথই জুলাই সনদকে একটি সত্যিকারের গণচুক্তিতে রূপ দিতে পারে এবং রাজনৈতিক বিভাজন দূর করে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে।

সিএনআই/২৫

শেয়ার করুন