৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার
১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ

নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকের উপর হামলা ও ভাঙচুর ছাত্রদলের নোসক প্রতিনিধি : সুমাইয়া আক্তার নোয়াখালী সরকারি কলেজে ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষকের উপর হামলা, শারীরিক হেনস্তা, হত্যার হুমকি ও অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল-২০২৬) দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহ সভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সহ আরো কয়েকজন সংগঠিত ভাবে এ হামলায় চালায় বলে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কলেজ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানায়, আজ দুপুরে কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন তার অফিসিয়াল কিছু কাগজপত্র নিতে সস্ত্রীক কলেজে আসেন। এসময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর এবিএম সানা উল্লাহ, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন জুয়েল সহ কয়েকজন শিক্ষক একসাথে দুপুরের খাবার খেতে বসলে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ সহ ছাত্রদল নেতারা অধ্যক্ষের কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং খাবার টেবিলে এসে শিক্ষকদেরকে গালিগালাজ ও হুমকিধামকি দিতে থাকে এবং বলে যে কেউ যাতে এখানে আর এক লোকমা খাবারও গ্রহণ না করে। এসময় বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানের উপর শারীরিক ভাবে হামলা করা হয় এবং হামলাকারী উনার শার্ট ধরে টেনেহিঁচড়ে শার্টের সব বোতাম গুলো ছিঁড়ে নেয়। এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন কে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি আমাদের এলাকায় থাকেন আমাদের পোলাপানকে বললে ১০ মিনিটের মধ্যে মেরে ড্রেনে পালায় দিবে। ঘটনার পরপরই কলেজের শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি সভা ডাকে কলেজ শিক্ষক পরিষদ। সভায় হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিল, কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ দায়ের, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা এবং এ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এবিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। কলেজ প্রশাসন নিরাপত্তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খুলনায় প্রথম বিভাগীয় মাশরুম মেলা শুরু, পুষ্টি ও স্বাবলম্বিতার নতুন সম্ভাবনা

রূপপুরের ৯০ শতাংশ ঋণই রাশিয়ার, পরিশোধে যতটা সময় পাবে বাংলাদেশ

গণভোটে জামায়াতের অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’ : আইনমন্ত্রী

দেশে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জামায়াত এমপির

নোসক ছাত্রদলের ৮৪ সদস্যের কমিটির একে অপরকে চিনেনা, কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছাত্রদল নেতার পোস্ট

শেয়ার করুন

নোসক প্রতিনিধি:সুমাইয়া আক্তার: সম্প্রতি ঘোষিত নোয়াখালী সরকারি কলেজের ৮৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সহসভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল তার ব্যাক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি বলেন, বর্তমানে এখন এই কমিটির ৮৪ জন কে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে কে কাকে চিনে এবং এরা কী ভাবে কমিটিতে আসে। এদের মধ্যে বিগত এক বছরের ছাত্রদলের জন্য ভূমিকা কী ছিলো তা দৃশ্যমান। আমরা যারা নেতৃত্ব দিয়েছি নোয়াখালী সরকারি কলেজে ৮-১০ জন ছাড়া কাউকে তখন দেখিনি। দুঃখজনক বিষয় হলে আজ কমিটির প্রায় ১ মাস হয়ে গেলেও ৮৪ জন কে দেখতে পাইনি এবং চিনিও না।

তিনি আরো বলেন, নোয়াখালী সরকারি কলেজে “যে দিন থেকে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই অতীতের সাবেক ছাত্রদলের বড় ভাইদের থেকে শুনেছি নোয়াখালী সরকারি কলেজে বরাবরের মতোই ৮০ ভাগ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে জেলা, উপজেলা, পৌরসভায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এবারের মত এতো বড় কমিটি আমরা নোয়াখালী সরকারি কলেজে কখনো দেখতে পাই নি। নোয়াখালী সরকারি কলেজে বর্তমান ছাত্রদলের কমিটিতে মূল্যায়ন পায় ৮৪ জন। জুলাই আগস্টের আগে নোয়াখালী সরকারি কলেজে লাষ্ট ১ বছর, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়জন ছাত্রনেতা ভুমিকা রেখেছে এবং দলের দুঃসময়ে দলের জন্য কতটুকু নিয়োজিত ছিলো সেটি দৃশ্যমান।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, ছাত্রদলের দ্বায়িত্ব কী শুধু ঘরে বসে নেতৃত্ব দেওয়া জন্য না কি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী সংগঠন কে প্রতিষ্ঠিত করা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ বির্নিমান করা এবং নিজে রেগুলার ক্লাস মুখি হয়ে জ্ঞান অর্জন করা। কিন্তু নোয়াখালী সরকারি কলেজে দৃশ্যমান ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাজের দক্ষতা এবং সুশৃঙ্খল সংগঠন করে আসতেছে এবং যাদের কে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে তারা ঠিকই ক্যাম্পাস মুখী ও শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি প্রত্যায় নিয়ে ছাত্রদলের জন্য নিয়োজিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অভিভাবকদের কাছে একটাই অভিযোগ, নোয়াখালী সরকারি কলেজে নব নির্বাচিত ৮৪ জন এরা কারা?

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অভিভাবক তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামান বিশাল তার ব্যাক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এসব কথা লিখেন। ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামান বিশালের এ ফেসবুক পোস্টের পর দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে রীতিমতো আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠে।

ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামান বিশালের ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো-

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সবাইকে আমার সালাম
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
শিক্ষা ঐক্য প্রগতি
ছাত্রদলের মূলনীতি
এসো নবীন দলে দলে ছাত্রদলের পতাকা তলে”
এসো নবীন ভয় নাই ছাত্রদলের সন্ত্রাস নাই”

আমি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই।
আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ১৯৭৯ সালে পয়ালা জানুয়ারি মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত গড়া এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী সর্ব বৃহত্তর মেধাবী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বাংলাদেশের আশা আকাঙ্ক্ষার তারুণ্যের প্রতীক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান বাংলাশের জাতীয়বাদীব ছাত্রদলের বিপ্লবী সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ভাই ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির ভাই কে ছাত্রদলের দ্বায়িত্ব দিয়েছে। শুধু সারা বাংলাদেশ ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক হিসেবে নয়” বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিভাবক হিসেবে।

আমি বলতে চাই ৩৬ জুলাইয়ের আগস্টে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পতন ঘটছে ছাত্রজনতার গনঅভ্যুত্থানে মধ্যে দিয়ে এবং বড় সংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের অবস্থা ছিলো দেখার মত। বরাবর মরহুম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আর্দশ লালন করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সব সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে ন্যায়, নৈতিকতা ও শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ এবং ক্যল্যাণে নিয়োজিত।

ইতি মধ্যে আমরা জুলাইয়ে গনঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গনতান্ত্রিক এবং ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রদলের কমিটির মধ্যে দিয়ে” “সবার আগে নতুন বাংলাদেশ গড়ার” লক্ষ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোটাভুটিতে নব নির্বাচিত কমিটি গঠন করে আসতেছে। বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই গনতান্ত্রিক ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই ভোটাভুটি কমিটি গুলো দৃশ্যমান, প্রশংসনীয় এবং ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেছে । তারও দ্বারায় কয়েকটি জেলার মধ্যে সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী কমিটি দেওয়া হয়।

এখন মূল কথায় আসি”
*এখন পর্যন্ত যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি দিয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত পরিচিত সভা এবং সাংগঠনিক কাঠামো সংগঠনের কার্যকক্রম দেখাতে সক্ষম হয়েছে কী এবং সেটা আমার দৃশ্যমান চোখ পড়ার মত নয়।
**কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিক কমিটি ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির সময় বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কিন্তু সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী আংশিক কমিটির পূর্ণাঙ্গ দেখাতে সক্ষম হয়েছে কী?
** আমার দৃষ্টিকোন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার উচিত” ঐ সকল কমিটির ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের দ্বায়িত্ব বোধ এবং সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসা।
** বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী সংগঠনের গঠনতন্ত্রের মধ্যে দিয়ে প্রত্যেক জেলা ভিত্তিক সংগঠনের বিশেষ সেল তৈরি এবং কতটুকু কার্যকর ভূমিকা পালন হবে সেই বিষয়েও লক্ষ্য রাখতে হবে।
** বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মেধাবী একটি বৃহত্তর সংগঠন এতে কোন সন্দেহ নেই।

ইতিমধ্যে বিশেষ করে নোয়াখালীতে মোট ৩৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, সাংগঠনিক টিম পাঠিয়ে রেগুলার স্টুডেন্ট এবং ছাত্রত্ব যাচাই বাছাই মধ্যে দিয়ে আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সংসদ।

গত ২৩-০৩-২০২৫ ইং তারিখ রাত সাড়ে আটয়ায় প্রকাশিত হয় নবনির্বাচিত ছাত্রদলের কমিটি গুলো।
নোয়াখালীতে ৩৬ টি কমিটির মধ্যে ১ টি কমিটি সবচেয়ে আলোচনায় এবং আলোচিত নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি। নোয়াখালী সরকারি কলেজে “যে দিন থেকে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই অতীতের সাবেক ছাত্রদলের বড় ভাইদের থেকে শুনেছি নোয়াখালী সরকারি কলেজে বরাবরের মতোই ৮০ ভাগ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে জেলা, উপজেলা, পৌরসভায় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এবারের মত এতো বড় কমিটি আমরা নোয়াখালী সরকারি কলেজে কখনো দেখতে পাই নিহ। নোয়াখালী সরকারি কলেজে বর্তমান ছাত্রদলের কমিটিতে মূল্যায়ন পায় ৮৪ জন। জুলাই আগস্টের আগে নোয়াখালী সরকারি কলেজে লাষ্ট ১ বছর, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কয়জন ছাত্রনেতা ভুমিকা রেখেছে এবং দলের দুঃসময়ে দলের জন্য কতটুকু নিয়োজিত ছিলো সেটি দৃশ্যমান।

বর্তমানে এখন এই কমিটি ৮৪ জন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে কে কাকে চিনে এবং এরাঁ কী ভাবে কমিটিতে আসে। এদের এক বছরের ছাত্রদলের ভূমিকা কী ছিলো তা দৃশ্যমান আমরা যারা নেতৃত্ব দিয়েছে নোয়াখালী সরকারি কলেজে ৮-১০ জন ছাড়া কেউ দেখি নিহ। দুঃখজনক বিষয় হলে আজ কমিটি প্রায় ১ মাস হয়ে গেলেও ৮৪ জন কে দেখতে পাই নিহ এবং ছিনিও না। ছাত্রদলের দ্বায়িত্ব কী শুধু ঘরে বসে নেতৃত্ব দেওয়া জন্য না কি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী সংগঠন কে প্রতিষ্ঠিত করা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ বির্নিমান করা এবং নিজে রেগুলার ক্লাস মুখি হয়ে জ্ঞান অর্জন করা। কিন্তু নোয়াখালী সরকারি কলেজে দৃশ্যমান ছাত্রদলের সাংগঠনিক কাজের দক্ষতা এবং সুশৃঙ্খল সংগঠন করে আসতেছে এবং যাদের কে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে তারা ঠিকই ক্যাম্পাস মুখী ও শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি প্রত্যায় নিয়ে ছাত্রদলের জন্য নিয়োজিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অভিভাবকদের কাছে একটাই অভিযোগ, নোয়াখালী সরকারি কলেজে নবনির্বাচিত ৮৪ জন এরা কারা?

আক্তারুজ্জামান বিশাল
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদল
ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
প্রাণের সংগঠনের স্বার্থে সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী সমালোচনা করা জন্য ছাত্রদলের অভিভাবকের কাছে ক্ষমা প্রর্থনা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ।

উল্লেখ্য যে, গত মাসের ২৩ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ৮৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে আক্তারুজ্জামান বিশালকে সহ সভাপতি করা হয়। এর আগে কলেজের বিগত কমিটিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

শেয়ার করুন

সর্বশেষ

নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষকের উপর হামলা ও ভাঙচুর ছাত্রদলের নোসক প্রতিনিধি : সুমাইয়া আক্তার নোয়াখালী সরকারি কলেজে ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষকের উপর হামলা, শারীরিক হেনস্তা, হত্যার হুমকি ও অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল-২০২৬) দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মুর্শিদুর রহমান রায়হান, সহ সভাপতি আক্তারুজ্জামান বিশাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সহ আরো কয়েকজন সংগঠিত ভাবে এ হামলায় চালায় বলে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কলেজ প্রশাসন ও ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জানায়, আজ দুপুরে কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেন তার অফিসিয়াল কিছু কাগজপত্র নিতে সস্ত্রীক কলেজে আসেন। এসময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর এবিএম সানা উল্লাহ, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন জুয়েল সহ কয়েকজন শিক্ষক একসাথে দুপুরের খাবার খেতে বসলে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ সহ ছাত্রদল নেতারা অধ্যক্ষের কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং খাবার টেবিলে এসে শিক্ষকদেরকে গালিগালাজ ও হুমকিধামকি দিতে থাকে এবং বলে যে কেউ যাতে এখানে আর এক লোকমা খাবারও গ্রহণ না করে। এসময় বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুনশাদুর রহমানের উপর শারীরিক ভাবে হামলা করা হয় এবং হামলাকারী উনার শার্ট ধরে টেনেহিঁচড়ে শার্টের সব বোতাম গুলো ছিঁড়ে নেয়। এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন কে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, আপনি আমাদের এলাকায় থাকেন আমাদের পোলাপানকে বললে ১০ মিনিটের মধ্যে মেরে ড্রেনে পালায় দিবে। ঘটনার পরপরই কলেজের শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে জরুরি সভা ডাকে কলেজ শিক্ষক পরিষদ। সভায় হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের ছাত্রত্ব বাতিল, কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ দায়ের, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা এবং এ ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এবিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। কলেজ প্রশাসন নিরাপত্তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।