২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার
১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনওয়াইবিবি সামিটে দেশসেরা ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ জিতলেন মাভাবিপ্রবির দুই প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

শেয়ার করুন

 

তুহিন বাহাদুর, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
​রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘ফিউচার বায়োটেক সামিট ২০২৬’-এ মর্যাদাপূর্ণ ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ জয় করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) দুই প্রাক্তন শিক্ষার্থী। আন্তর্জাতিক ডিএনএ দিবস উপলক্ষে গত ২৫ এপ্রিল নবাব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
​নেটওয়ার্ক অব ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস অব বাংলাদেশ (NYBB) আয়োজিত এই সম্মেলনে জীবপ্রযুক্তি ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত দুই গবেষক হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আরিফ খান এবং মো. উজ্জ্বল হোসেন।
​গবেষণার স্বীকৃতি ও অনুভূতি
​রেসিডেন্ট বাংলাদেশি গবেষক ক্যাটাগরিতে ‘ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন মো. আরিফ খান। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “এই সম্মাননা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমার মেন্টর, পরিবার ও সহকর্মীদের সহযোগিতার ফলেই আজ আমি এই অবস্থানে। মানুষের কল্যাণে গবেষণার কাজকে আরও এগিয়ে নেওয়াই এখন আমার মূল লক্ষ্য।”
​অন্যদিকে, ‘ইমার্জিং বায়োটেকনোলজিস্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ জয় করেছেন মো. উজ্জ্বল হোসেন। এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি তাঁর শিক্ষা ও কর্মপ্রতিষ্ঠান—ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি), মাভাবিপ্রবি এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মনে করেন, এই জাতীয় স্বীকৃতি দেশের গবেষণার কাজকে আরও গতিশীল করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
​সম্মেলন ও গবেষণার প্রেক্ষাপট
​এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “Omics and AI 2026”। যেখানে বায়োটেকনোলজির সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) মেলবন্ধন এবং জিনোমিক গবেষণার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
​অংশগ্রহণ: অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা এই আসরে যোগ দেন।
​উপস্থিতি: দেশের ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫০ জন গবেষক, তরুণ শিক্ষক ও উদ্যোক্তা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
​অনুষ্ঠানটি কেবল একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশের বায়োটেকনোলজি খাতকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করার একটি শক্তিশালী মঞ্চ হিসেবে প্রশংসিত হয়েছে। মাভাবিপ্রবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা অঙ্গনে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছে।

শেয়ার করুন