
রাজনৈতিক কর্মে মিডিয়া জনমতকে প্রভাবিত করে, তথ্য সরবরাহ করে, এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে। গণমাধ্যম সরকার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ওপর নজরদারি করে, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রচারণায় সহায়তা করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির আদান-প্রদানের জন্য একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে, এটি রাজনৈতিক বিতর্ক, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মূল ভূমিকা
সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য সরবরাহ: মিডিয়া রাজনৈতিক ঘটনা, নীতি এবং প্রার্থীদের সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করে, যা তাদের সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
নজরদারি ও জবাবদিহিতা: গণমাধ্যম ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নজরদারি করে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ: সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম রাজনৈতিক আলোচনা, প্রচারাভিযান এবং সংগঠনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে।
জনমত গঠন: মিডিয়া রাজনৈতিক বার্তা প্রচার করে এবং জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে, যা নির্বাচনী ফলাফল এবং নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন: গণমাধ্যম বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করার জন্য একটি ফোরাম সরবরাহ করে।
রাজনৈতিক সক্রিয়তা: মিডিয়া সক্রিয়তা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠীগুলিকে তাদের কণ্ঠস্বর শোনাতে এবং সংগঠিত হতে সাহায্য করে।
সিএনআই/২৫