
নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান ফরজ ইবাদত। ঈমানের পর একজন মুসলমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এটি যথাযথভাবে আদায় করা। কিন্তু অনেক সময় তাড়াহুড়ায় রুকু ও সেজদায় স্থিরতা না রাখলে নামাজ নষ্ট হয়ে যায়—এ বিষয়ে হাদিসে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
সহিহ বুখারির এক বর্ণনায় নবী করিম (সা.) বলেছেন, “যে পর্যন্ত কেউ রুকু ও সেজদায় পিঠ সোজা না করবে, তার নামাজ পূর্ণ হবে না।” আবার তিনি বলেন, “মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় চোর হলো সে ব্যক্তি, যে নিজের নামাজ চুরি করে”—অর্থাৎ, রুকু-সেজদা যথাযথভাবে না করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, দ্রুত ও অস্থিরভাবে নামাজ পড়া ‘কাকের ঠোকরের’ মতো, যা ইসলামের আদর্শের পরিপন্থী। সাহাবিরা এমন নামাজকে অগ্রহণযোগ্য বলেছেন।
নামাজ শুধু শরীরের নড়াচড়া নয়; এটি মনোযোগ, বিনয় ও ধীরস্থিরতার মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। রুকু ও সেজদা সঠিকভাবে সম্পন্ন না করলে নামাজ বৈধ হয় না। আল্লাহ তাআলা যেন মুসলমানদের সঠিকভাবে নামাজ আদায়ের তাওফিক দেন—আমিন।
সিএনআই/২৫