
জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের গুঞ্জন, রাজনৈতিক অস্থিরতার সম্ভাবনা
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক চাপে রয়েছেন। বিরোধীরা ছাড়াও, নিজ দল লিবারেল পার্টির ভেতর থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠছে। এই পরিস্থিতিতে গুঞ্জন উঠেছে যে, শিগগিরই তিনি লিবারেল পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।
পদত্যাগের সম্ভাব্য তারিখ
কানাডার সংবাদমাধ্যম গ্লোব অ্যান্ড মেইল-এর বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রুডো সোমবার (৬ জানুয়ারি) বা তার আগেই পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন। তবে, তার কার্যালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি।
পরবর্তী নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা
ট্রুডোর পদত্যাগের পর তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন নাকি নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে জানা গেছে, তিনি অর্থমন্ত্রী ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্কের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন, যিনি অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করতে পারেন।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
জাস্টিন ট্রুডো ২০১৩ সালে লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বে লিবারেল পার্টি একসময় ঘুরে দাঁড়ালেও বর্তমানে দলটি ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে। জরিপে দেখা যাচ্ছে, আগামী নির্বাচনে লিবারেলরা রক্ষণশীলদের কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হতে পারে।
সম্ভাব্য প্রভাব
ট্রুডোর পদত্যাগ লিবারেল পার্টিকে এমন একটি সময় রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দিতে পারে, যখন দলটির পুনর্গঠনের প্রয়োজন সবচেয়ে