২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার
৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ কখন পড়বেন জানুন

শেয়ার করুন

 

দৈনন্দিন ইবাদত বা ভালো কাজ শুরু করার আগে মুসলমানরা সাধারণত দুটি বাক্য উচ্চারণ করেন—‘আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’। তবে কখন কোনটি পড়া উচিত, তা অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকর।

বিসমিল্লাহ
প্রতিটি বৈধ ও ভালো কাজ আল্লাহর নামে শুরু করার জন্য বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নত এবং বরকতের উৎস। হাদিসে এসেছে, “প্রত্যেক কথা বা কাজ যা আল্লাহর নাম ছাড়া শুরু করা হয়, তা অসম্পূর্ণ ও বরকতহীন।”

আউজুবিল্লাহ
‘আউজুবিল্লাহ’ মূলত শয়তানের প্ররোচনা ও মন্দ প্রভাব থেকে আল্লাহর আশ্রয় লাভের জন্য পড়া হয়।

কোরআন তিলাওয়াত শুরুর আগে
কোরআন তিলাওয়াতের আগে আউজুবিল্লাহ পড়া ওয়াজিব। কোনো সুরার প্রথম থেকে পড়া হলে, প্রথমে আউজুবিল্লাহ ও এরপর বিসমিল্লাহ (সুরা তাওবা ব্যতীত) পড়তে হবে। সুরার মাঝখান থেকে পড়লে শুধু আউজুবিল্লাহই যথেষ্ট।

নামাজের মধ্যে
নামাজে তাকবিরে তাহরিমার পর সানা পড়ে, এরপর ‘আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম’ এবং তারপর ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ পড়ে সুরা ফাতিহা শুরু করতে হবে।

খারাপ স্বপ্ন বা রাগ দেখা দিলে
শয়তানের প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে খারাপ স্বপ্ন বা অতিরিক্ত রাগের সময় আউজুবিল্লাহ পড়া সুন্নত।

যেসব ক্ষেত্রে উভয়ই নয়
দ্বীনি আলোচনা, খুতবা, আজান বা নামাজ শুরুতে আল্লাহর হামদ ও দরুদ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলা যথেষ্ট। বিসমিল্লাহ বা আউজুবিল্লাহ ব্যবহারে হাদিসে কোনো শক্তিশালী প্রমাণ নেই।

এভাবে সঠিক সময় ও অবস্থায় আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়লে ইবাদত ও দৈনন্দিন কাজের বরকত বৃদ্ধি পায়।

সিএনআই/২৫

শেয়ার করুন