
হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৯৪৫ জন।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৯৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে ৯৩ জন এবং সন্দেহজনক হামে ৬০৫ জন শিশু মারা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ রোগী।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ জন শিশু আর হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এই সময়ে ৮৬০ জন শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সাধারণত লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।
এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো হলো- অতিরিক্ত জ্বর, সর্দি ও কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া (কনজাংটিভাইটিস), মুখের ভেতরে সাদা দাগ (কপলিক স্পটস), শরীর ও মুখমণ্ডলে লাল ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠা।
হামের কারণে শিশুদের মারাত্মক ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, কানে সংক্রমণ এমনকি মস্তিষ্কে প্রদাহের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ কারণেই মূলত বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।