২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার
৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এখন আরও কাছাকাছি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল

শেয়ার করুন
ছবি : সংগৃহীত

চলমান ইরান যুদ্ধের উত্তাপ আপাতদৃষ্টিতে ধ্বংসযজ্ঞের আভাস দিলেও, সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে এমন দুই দেশ হাত মিলিয়েছে, যা কিছুদিন আগেও হয়তো ভাবা যেত না। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কাছাকাছি এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েল।

সবাইকে চমকে দিয়ে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও যৌথভাবে আধুনিক প্রযুক্তি কিনতে তারা গড়ে তুলেছে এক বিশেষ প্রতিরক্ষা তহবিল।

ঘটনার সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারিতে, যখন ইরানের প্রায় ৩ হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছিল আমিরাতের বুকে। তখন অপ্রত্যাশিত ত্রাতা হয়ে আসে ইসরায়েল। তারা গোপনে পাঠায় তাদের ‘আয়রন ডোম’ ও সেনা। সেই ভরসার সূত্র ধরেই যুদ্ধ চলাকালে নেতানিয়াহুর এক অঘোষিত সফরে চূড়ান্ত হয় এই গোপন অস্ত্রচুক্তি।

নেপথ্যের কারণটি বেশ পরিষ্কার। মূলত ইসরাইলের কাছে রয়েছে বিশ্বসেরা সামরিক প্রযুক্তি, কিন্তু অর্থনৈতিক টানাপোড়েন আর মার্কিন সহায়তার অনিশ্চয়তা তাদের বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে, আমিরাতের কাছে রয়েছে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের সার্বভৌম তহবিল, কিন্তু অভাব ছিল উন্নত প্রযুক্তির। ফলে এই চুক্তি দুই দেশের জন্যই এক মোক্ষম সুযোগ।

বিশেষ করে ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে এই তহবিল থেকে বিপুল অর্থ খরচ করা হচ্ছে। অন্যদিকে সৌদি আরব পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে জোট গড়ছে।

যুদ্ধ শেষে ইরান আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে— এই ভয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষাকবচ হিসেবে ইসরাইলকেই চূড়ান্ত হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে আবুধাবি। সমমনা এই দুই দেশের নতুন জোট এখন মধ্যপ্রাচ্যের হিসাব-নিকাশই বদলে দিচ্ছে। সূত্র : মিডলইস্ট আই

শেয়ার করুন