
জেট ফুয়েলের দাম, হ্যাঙ্গার ভাড়া, কাস্টমস জটিলতা ও সিভিল এভিয়েশন নির্ধারিত উচ্চহারে বিভিন্ন ফি এভিয়েশন খাতের মালিকদের মহাসংকটে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন এই খাতের মালিকদের সংগঠন ‘এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)’র নেতারা। চলমান কঠিন সময়ের এই সংকট মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
এওএবির ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের আলোচনায় এই সংকটের বিষয়টি উঠে আসে। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে স্যামসন সেন্টারের সভাকক্ষে এ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ও স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী।
অঞ্জন চৌধুরী বলেন, “বর্তমানে দেশের এভিয়েশন শিল্প কঠিন সময় পার করছে। তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি’ আইনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ পুনরায় বিবেচনা করার জন্য সরকারের এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
সংগঠনের মহাসচিব ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, ‘জেট ফুয়েলের দাম, হ্যাঙ্গার ভাড়া, কাস্টমস জটিলতা ও সিভিল এভিয়েশন নির্ধারিত উচ্চহারে বিভিন্ন ফি এ খাতের মালিকদের মহাসংকটে ফেলেছে।’
এসময় এওএবির ভাইস চেয়ারম্যান-২ এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আব্দুল্লাহ আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ এবং ইমপ্রেস এভিয়েশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেড মাহমুদ মামুন, যুগ্ম সচিব ও ব্লু ফ্লাইং একাডেমির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল জাহির স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের রাকিবুল কবির উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া মেঘনা এভিয়েশনের তানভির মোস্তফা এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক সরদার, বসুন্ধরা এয়ারওয়েজের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এএসএম মুস্তাফিজুল হক, স্কাই ক্যাপিটাল এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জে এম মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংগঠন সংশ্লিষ্টরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত সদস্যরা এভিয়েশন শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে বেসামরিক বিমান পরবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।