
আফরিদা হোসেন আনিকা, যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে একমাত্র আকর্ষণের কারণ নৈসর্গিক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমাহার। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যবিপ্রবির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের উপর বিশেষ নজর প্রদর্শন করেন, যা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যবিপ্রবিকে অন্যতম করে তুলে।
৩৫ একর জমির উপর দাঁড়িয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে অনন্য করে রেখেছে। ফুলেল অভ্যর্থনায় প্রতিবছর নব-শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয় এই বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মৌসুমে নানা ফুলের সাথে পরিচিত হয়। ভিন্ন মৌসুমী ভিন্ন ফুলে সাজে এই প্রাঙ্গণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী জনগণ ও মাঝেমধ্যে এখানে ছবি তুলতে আসে। গোলাপ আর গাঁদা ফুলের সমাহার দেখা যায় জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের প্রাঙ্গণ। সামনেই রয়েছে চন্দ্রমল্লিকা,সূর্যমুখী, বিলিতিগাঁদা ফুল, পার্পেল হার্ট, চায়না পিংক,ল্যান্টানা,ওলেন্ডার,জারুল, পেটুনিয়া, কার্নিশন, আরো কত কি। অদম্য একাত্তরের সামনে ফোটা পদ্মফুল যেন এই ফুলেদেরই রানী।এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন মৌসুমী ফুল। বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা এই ফুলের রাজ্যে স্বর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে। কর্মরত মালিরা পরিশ্রম করে যায় এই সৌন্দর্য রক্ষায়। তাইতো আয়তনে ছোট হলেও শিক্ষার্থীদের কাছে “কিউট ভার্সিটি” হিসেবে পরিচিত এই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।