
তৌহিদ-উল বারী, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে বাঁশখালী-পেকুয়া-চকরিয়া সড়ককে চারলেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নতুন আশার সঞ্চার করেছে এলাকাবাসীর মাঝে। সমাজকর্মী নিজাম উদ্দিন জানিয়েছেন, চারলেন সড়ক বাস্তবায়িত হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত হবে না, বরং সরকারের আর্থিক চাপও কমবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে টানেল ব্যবহার ও সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনায় সরকারকে প্রতিদিন প্রায় ২৭ লাখ টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। চারলেন সড়ক নির্মিত হলে যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এই ভর্তুকির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত চারলেন সড়ক চালু হলে বর্তমান রুটের তুলনায় দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে এবং বিপুল পরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূরত্ব কমে গেলে পণ্য পরিবহন সহজ ও দ্রুত হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানুষের সময় সাশ্রয়। চারলেন সড়ক চালু হলে যাতায়াতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় বাঁচবে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের জন্য এটি হবে বড় স্বস্তির খবর। দ্রুত ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হলে দুর্ঘটনাও কমে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সমাজকর্মী নিজাম উদ্দিন বলেন, এই চারলেন সড়ক শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকারের ভর্তুকি কমবে, মানুষের সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সব মিলিয়ে এটি হবে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক একটি প্রকল্প।
এলাকাবাসী আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে বাস্তব রূপ পাবে তাদের বহুদিনের স্বপ্নের চারলেন সড়ক।