
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আরও ২০ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এতে বলা হয়, এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলাধীন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরকার জহিরুল হক মিঠুন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. আক্রামুল ইসলাম, চাঁদপুর জেলাধীন মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. নুরুল হক সরকার, বগুড়া জেলাধীন দুপচাঁচিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. গোলাম ফারুক, তালোড় পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আবু হোসেন সরকার আবুল, সিরাজগঞ্জ জেলাধীন এনায়েতপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নুরুল ইসলাম মাস্টার, চৌহালী ইউনিট বিএনপির সহসভাপতি মো. বাবুল সরকার, মানিকগঞ্জ জেলাধীন ঘিওর উপজেলার অন্তর্গত বড়টিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, ফরিদপুর বিভাগীয় মহিলা দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর আক্তার বিউটি, পিরোজপুর জেলাধীন নাজিরপুর উপজেলার অন্তর্গত মাটিভাংগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সরদার সাফায়েত হোসেন শাহীন, নাটোর জেলাধীন সিংড়া উপজেলার অন্তর্গত ১নং সুকাশ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল কুদ্দুস আকন্দকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১ জানুয়ারি তাদের পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ ছাড়া, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য নাটোর জেলাধীন গুরুদাসপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম শেখ এবং ফেনী জেলাধীন সদর উপজেলার অন্তর্গত ২নং পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১ জানুয়ারি তাদের অব্যাহতি আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।