২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার
১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরল সূর্যগ্রহণ: ৬ মিনিটে অন্ধকার

শেয়ার করুন

২০২৭ সালের ২ আগস্ট পৃথিবী সাক্ষী হবে এক বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনার। সেদিন ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চল প্রায় ছয় মিনিটের জন্য অন্ধকারে ডুবে যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণ সূর্যগ্রহণের একটি হবে।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সূর্যগ্রহণ ভিন্নভাবে দেখা যাবে। ইউরোপের কিছু অংশ, পশ্চিম এশিয়া এবং পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে এটি সবচেয়ে পরিষ্কার দৃশ্য তৈরি করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং এশিয়ার বেশিরভাগ স্থান থেকে গ্রহণটি দেখা সম্ভব হবে না।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণটি পূর্ব আটলান্টিক থেকে শুরু হবে। এরপর এটি মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও মিসরের ওপর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ভূমধ্যসাগরের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে অতিক্রম করবে। মিসরের লাক্সর ও আসওয়ান শহরে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পূর্ণগ্রাসের সময় সূর্য সাময়িকভাবে আড়ালে চলে গেলে চারপাশের আলো দ্রুত কমে আসবে। তাপমাত্রা কিছুটা নেমে যেতে পারে। সূর্যের চারপাশে করোনা ক্ষীণ আলোয় জ্বলবে। ইউরোপের বহু স্থানে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে, যেখানে সূর্য মনে হবে যেন কামড়ানো আপেল।

সূর্যগ্রহণ কেন হয়?
যখন চাঁদ তার কক্ষপথে সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে সরাসরি অবস্থান করে, তখন সূর্যের আলো বাধাপ্রাপ্ত হয়। চাঁদ যদি সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দেয়, সেটিই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। এ সময় দিনের বেলায়ও অন্ধকার নেমে আসে, বাতাসের তাপমাত্রা কমে যায় এবং প্রাণীদের আচরণও রাতের মতো পরিবর্তিত হয়।

চাঁদের ছায়া মানবজাতিকে ২০২৭ সালে আবারও এক চমকপ্রদ মহাজাগতিক দৃশ্য উপহার দিতে চলেছে।

সিএনআই/২৫

শেয়ার করুন