
কিউবায় জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুতে ২১ শিশুসহ মোট ৩৩ জন মারা গেছে। দেশটির উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারিলদা পেনা রাষ্ট্রীয় টিভিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
চিকুনগুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। রোগের প্রধান উপসর্গ হলো জ্বর ও প্রচণ্ড জয়েন্ট ব্যথা। সাধারণত চিকুনগুনিয়া প্রাণঘাতী নয়, কিন্তু এবার পরিস্থিতি গুরুতর। অন্যদিকে, ডেঙ্গুতে ১২ জন মারা গেছেন।
চিকুনগুনিয়া ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত হয় জুলাই মাসে কিউবার মাতান্সাস প্রদেশে এবং দ্রুত দেশের ১৫টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবও বেড়ে গেছে।
কিউবা বর্তমানে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, জ্বালানি ও ওষুধের তীব্র ঘাটতি চলায় রোগ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
অপরিচ্ছন্নতা, আবর্জনা জমে থাকা এবং মানুষজনের পানির ট্যাংকে পানি সংরক্ষণে রাখার কারণে মশার উৎপত্তি বেড়ে গেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও কোভিডের প্রভাবের কারণে পর্যটন খাত ভেঙে পড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেখা দিয়েছে, ফলে মশা নিধন ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি কমেছে।
সিএনআই/২৫