১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার
১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাই-অ্যালার্টে ফায়ার সার্ভিস, কঠোর নিরাপত্তায় পুলিশ

শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকায় মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। থার্টিফার্স্ট নাইটকে ঘিরে ডিএমপির প্রতিটি থানা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি এবং পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ডিএমপির আওতাভুক্ত থানাগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফানুস ও আতশবাজি নিয়ে নির্দেশনা

ডিএমপি নির্দেশ দিয়েছে, কোনোভাবেই থানা এলাকার মধ্যে ফানুস বিক্রি বা ওড়ানো যাবে না। ফানুস ও আতশবাজি বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হবে। চেকপোস্টে সন্দেহভাজনদের তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম জানান, কোনো অভিভাবক যেন তাদের সন্তানদের ফানুস বা আতশবাজি কিনতে না দেন। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফায়ার সার্ভিসের সতর্কতা

ফানুস ও আতশবাজি থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি থাকায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স তাদের প্রতিটি স্টেশনকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানিয়েছেন, বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে এবার বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরে থেকেও ফানুসের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান তিনি।

অতীত অভিজ্ঞতা

২০২২ সালে থার্টিফার্স্ট নাইটে ফানুস ওড়ানোর কারণে রাজধানীর অন্তত ১০টি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঢাকার বাইরের এলাকাগুলোতে একই কারণে প্রায় ১৯০টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে ফানুস ও আতশবাজির কারণে এক কোটি আট লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

ডিএমপি এবং ফায়ার সার্ভিস উভয়েই জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে, ফানুস ও আতশবাজি থেকে বিরত থাকতে এবং নিরাপদে নববর্ষ উদযাপন করতে।

 

শেয়ার করুন