১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার
১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামীকাল শুরু বিপিএল, এখনো অনিশ্চিত চার দলের অধিনায়ক

শেয়ার করুন

আগামীকাল শুরু বিপিএল, এখনো অনিশ্চিত ৪ দলের অধিনায়ক বিপিএল শুরুর একদিন আগে উত্তেজনার বদলে হতাশার মেঘ জমেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে। ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বশেষ টুর্নামেন্ট এনসিএল টি-টোয়েন্টি কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও, বিপিএল সেই পুরোনো সমস্যাগুলো থেকেই যাচ্ছে।

সাতটি দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত টুর্নামেন্টের শুরুর একদিন আগে এখনো ৪ দলের অধিনায়ক ঠিক হয়নি। এ পর্যন্ত মাত্র তিনটি দল তাদের অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছে। ফরচুন বরিশালের নেতৃত্বে থাকছেন তামিম ইকবাল, যিনি গত আসরে দলকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন। রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক থাকছেন নুরুল হাসান সোহান, যিনি সম্প্রতি ক্যারিবিয়ান গ্লোবাল সুপার লিগে দলের নেতৃত্ব দিয়ে শিরোপা জিতিয়েছেন। ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দিয়েছে, শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা তাদের নেতৃত্ব দেবেন।

তবে চিটাগাং কিংস, দুর্বার রাজশাহী, সিলেট স্ট্রাইকার্স এবং খুলনা টাইগার্সের অধিনায়কের নাম এখনো অজানা। টুর্নামেন্টের এমন অনিশ্চয়তা অনেক ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।

টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘাটতি
শুধু অধিনায়কত্বই নয়, টুর্নামেন্টের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিকেও দেখা যাচ্ছে অদক্ষতা। এখনো নিশ্চিত নয় কারা দায়িত্ব পালন করবেন আম্পায়ার হিসেবে। এর মধ্যে অভিজ্ঞ আম্পায়ার মারাইয়াস এরাসমাসের নাম শোনা গেলেও সেটি নিশ্চিত কোনো খবর নয়। এমনকি অংশগ্রহণকারী পাঁচটি দল এখনো তাদের খেলার জার্সি উন্মোচন করেনি।

এদিকে শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের সামনের ভিড় এবং বিদেশি ক্রিকেটারদের আসা নিয়ে উৎসাহ থাকলেও আয়োজনের অনিশ্চয়তা সেই উচ্ছ্বাসে ভাটা ফেলছে।

তামিমের হতাশা
সংবাদ সম্মেলনে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল তার হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সত্যি কথা বলতে, কনসার্ট ছাড়া এবারের বিপিএলে নতুন কিছু দেখিনি। যদি আমরা ভিন্নধর্মী বিপিএল আয়োজন করতে চাই, তবে আমাদের ক্রিকেটে বিনিয়োগ করতে হবে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।”

তামিম আরও যোগ করেন, “সেরা ফ্যাসিলিটিজ, মানসম্মত উইকেট, দক্ষ ধারাভাষ্যকার, এবং সর্বাধুনিক টেকনোলজি নিশ্চিত করা আয়োজনকারীদের দায়িত্ব। এগুলো ঠিক থাকলে ক্রিকেটাররা তাদের ভূমিকা আরও ভালোভাবে পালন করতে পারবে।”

বিপিএল নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা যেমন বড়, তেমনি তা পূরণে দায়িত্বশীল ও পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট। শেষ মুহূর্তে এই অনিশ্চয়তাগুলো কাটিয়ে টুর্নামেন্ট সফল করা আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

শেয়ার করুন