২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার
৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসমান হাদি ও দীপু হত্যার প্রতিবাদে ইবিতে সনাতনীদের বিক্ষোভ 

শেয়ার করুন

 

মাশুক এলাহী,ইবি প্রতিনিধি:

চব্বিশের জুলাই যুদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি এবং দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ডায়না চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইবি পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পংকজ রায়। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাসসহ সনাতনী ধর্মাবলম্বী অন্যান্য শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তাদের ‘হাদি ভাইয়ের স্মরণে, ভয় করিনা মরণে’, ‘দীপু ভাইয়ের স্মরণে ভয় করি না মরণে, ‘ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনিদের ফাঁসি চাই, ‘দীপু দাদা শ্মশানে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এই সময় বাঁধন বিশ্বাস বলেন, যত বড়ই রাঘব বোয়াল হোক না কেন খুনিদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি।

পংকজ রায় বলেন, হাদি ভাই, দিপু দা এবং আয়েশা এই তিনটি ঘটনা আমার হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। সত্যি বলতে, আমরা বাংলাদেশে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই ধরনের জঘন্য ও বিচারবহির্ভূত চর্চা চাই না। আমরা এমন একটি সুশীল সমাজ এবং দেশ চেয়েছিলাম যেখানে প্রতিটি বর্ণ, ধর্ম ও জাতির মানুষ সুন্দরভাবে একসাথে বসবাস করতে পারবে। কিন্তু ৫ই আগস্টের পর মনে হচ্ছে অন্তর্বতীকালীন সরকার অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। প্রশাসন কে বলতে চাই,আমার মনে হয় হাদি ভাই এবং দীপু দাদার ঘটনার মধ্যে একটি যোগসূত্র আছে। সেই যোগসূত্রটি খুঁজে বের করুন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বাদ জুম্মা রিকশায় যাওয়ার পথে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। পরবর্তীতে সিংগাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করেন তিনি। এদিকে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–কে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগ তুলে গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড কারখানার কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে কারখানা থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভাজকের একটি গাছে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানাযায়।

মাশুক এলাহী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া
সিএনআই/২৫

শেয়ার করুন