পূর্ব চীন সাগরে ভূরাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল সেনকাকু/দিয়াওয়ু দ্বীপপুঞ্জ ঘিরে আবারও মুখোমুখি অবস্থানে গেছে চীন ও জাপান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশ ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে।
চীনের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, জাপানের একটি মাছ ধরার নৌযান সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে চীনের তথাকথিত জলসীমায় ‘অবৈধভাবে প্রবেশ’ করেছিল। তারা দ্বীপগুলোকে দিয়াওয়ু নামে দাবি করে থাকে এবং সেগুলোকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে মনে করে।
অন্যদিকে জাপানের কোস্টগার্ড জানায়, বরং চীনা কোস্টগার্ডের দুটি জাহাজ তাদের জলসীমায় ঢুকে জাপানি মাছ ধরার নৌকাকে অনুসরণ করছিল। জাপানি কোস্টগার্ড এগিয়ে গিয়ে চীনা জাহাজগুলোকে সরে যেতে বাধ্য করে।
তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এই ঘটনা ঘটল। গত মাসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি পার্লামেন্টে বলেন, বেইজিং যদি তাইওয়ানে সামরিক হামলা চালায়, টোকিও তখন ‘সামরিক প্রতিক্রিয়া’ জানাতে পারে। এর পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন বাড়ছে।
চীনা কোস্টগার্ডের মুখপাত্র লিউ দেজুন দাবি করেন, জাপানি নৌযান চীনের জলসীমায় ঢুকেছিল এবং চীন তাদের সতর্ক করেছে। তিনি জাপানকে ‘হস্তক্ষেপ ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের’ আহ্বান জানান।
অন্যদিকে জাপানের পক্ষ থেকে বলা হয়, মঙ্গলবার ভোরের আগে চীনা নৌযানগুলো জাপানি জলসীমায় প্রবেশ করলে তারা প্রতিরোধ করে এবং চীনা জাহাজগুলোকে এলাকা ছাড়তে বলে।
দিয়াওয়ু/সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের মাত্র ১৬০ কিলোমিটার দূরেই তাইওয়ান অবস্থিত—যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
সিএনআই/২৫