নিজেকে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার আগ্রহ মানুষের বরাবরের। আর সেই আগ্রহকে আরও রঙিন করে তুলেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং, মজা কিংবা আলাদা করে নজর কাড়তে এখন সামাজিক মাধ্যমে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এআই দিয়ে তৈরি ক্যারিকেচার। গত কয়েক দিনে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার) ঘাঁটলেই চোখে পড়ছে,নিজের ছবি থেকে বানানো কার্টুন স্টাইলের ঝলমলে অ্যাভাটার। একটা পরিষ্কার ছবি, কয়েকটা ক্লিক—আর তাতেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে নিজের ডিজিটাল ক্যারিকেচার। একসময় যা করতে লাগত দক্ষ শিল্পী আর দীর্ঘ সময়, এখন সেটাই করে দিচ্ছে এআই কয়েক সেকেন্ডে।
ক্যারিকেচার কী, আর কেন এআই এত জনপ্রিয়
ক্যারিকেচার বলতে বোঝায় বাস্তব চেহারার একটু বাড়াবাড়ি করা রূপ। চোখ একটু বড়, হাসি আরও উজ্জ্বল, মুখের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশি স্পষ্ট। এই অতিরঞ্জনই ক্যারিকেচারকে করে তোলে আকর্ষণীয়। এআই আসার পর এই শিল্পে এসেছে বড় পরিবর্তন। এখন আর কাউকে বসে আঁকতে হয় না—এআই নিজেই মুখের গঠন বুঝে, আলো–ছায়া বিশ্লেষণ করে, কার্টুন স্টাইলে রূপ দিয়ে দেয়।
কেন এআই ক্যারিকেচার এত দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে

এআই ক্যারিকেচারের জনপ্রিয়তার পেছনে কয়েকটি স্পষ্ট কারণ রয়েছে:
বিশেষ করে যারা নিয়মিত অনলাইনে উপস্থিত থাকেন—ক্রিয়েটর, সাংবাদিক, মার্কেটার বা ফ্রিল্যান্সারদের কাছে এটি দ্রুত পরিচিতি তৈরির একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
কীভাবে এআই দিয়ে নিজের ক্যারিকেচার বানাবেন
পুরো প্রক্রিয়াটি খুব সহজ। কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলেই কাজ হয়ে যাবে।
১. ছবি বাছাই করুন
সেলফি বা ক্লোজ–আপ ছবি হলে ভালো। মুখ স্পষ্ট, আলো ঠিকঠাক এবং ফিল্টারবিহীন ছবি সবচেয়ে ভালো ফল দেয়।
২. এআই টুল নির্বাচন করুন
বর্তমানে জনপ্রিয় কিছু টুল হলো—
৩. সঠিক প্রম্পট দিন
এআইকে কী ধরনের ক্যারিকেচার চান, সেটা পরিষ্কার করে বলুন। যেমন—
'রঙিন ডিজিটাল ক্যারিকেচার, বড় চোখ, উজ্জ্বল হাসি, বাঙালি পোশাক, কার্টুন স্টাইল, সফট লাইটিং।'
প্রম্পট যত পরিষ্কার হবে, ফল তত ভালো আসবে।
৪. প্রয়োজন অনুযায়ী এডিট করুন
অনেক টুলেই ব্যাকগ্রাউন্ড, রঙ বা স্টাইল বদলানোর সুযোগ থাকে। একাধিক ভার্সন তৈরি করে পছন্দেরটি বেছে নেওয়াই ভালো।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবেন যেভাবে
শুধু ক্যারিকেচার বানালেই শেষ নয়—পোস্ট করার কৌশলও গুরুত্বপূর্ণ।
কপিরাইট ও নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা
এআই ব্যবহার সহজ হলেও কিছু বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি: