ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে তা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভূমিধস বিজয় পাওয়া বিএনপি ৫০ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামী ৩২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এনসিপি পেয়েছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভোট।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ইসির তৈরি দলভিত্তিক প্রাপ্ত ভোটের হারসংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
ইসির প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে বিএনপি ভোট পেয়েছে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ, জামায়াতে ইসলামী ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ০ দশমিক ২৮ শতাংশ, আমজনতার দল ০ দশমিক ০১ শতাংশ।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে ০ দশমিক ০৩ শতাংশ। ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ ০ দশমিক ০৮ শতাংশ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ইসলামিক ঐক্য পেয়েছে ০ শতাংশ। খেলাফত মজলিস পেয়েছে ০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে ০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট ভোট পেয়েছে ০ শতাংশ। গণফোরাম পেয়েছে ০১ শতাংশ। গণসংহতি আন্দোলন ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাকের পার্টি পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) পেয়েছে ০ শতাংশ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। জাতীয় পার্টি (জেপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পেয়েছে ০ শতাংশ। জনতার দল ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। নাগরিক ঐক্য ভোট ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ০ দশমিক ০২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ কংগ্রেস ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ভোট পায়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ভোট পেয়েছে ২ দশমিক ০৯ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে ০ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ভোট পেয়েছে ০ শতাংশ। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ -বিএনএল ভোট পেয়েছে ০ শতাংশ।
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০২ শতাংশ। বাংলাদেশ লেবার পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) ০ শতাংশ। বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০১ শতাংশ।
বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) ০ দশমিক ০২ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ০৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ভোট পেয়েছে ০ দশমিক ৩৫ শতাংশ আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
২৯৯ আসনের ভোটে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। চট্টগ্রাম-২ ও চট্রগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে আদালতের মামলা নিষ্পত্তির পর।
ইসির ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে ২৯৭টি আসনে ভোটা পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ২৯৯ আসনে ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি। আর ‘না’ ভোটের পক্ষে ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোট।
নির্বাচনে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি। এনসিপি ৬টি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন পেয়েছে ১টি। গণঅধিকার পরিষদ পেয়েছে ১টি। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও খেলাফত মজলিস পেয়েছে ১টি করে আসন। অন্যদিকে জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসনই পায়নি।