খলিলুর রহমান ইউএসটিআরকে বর্তমান ২০ শতাংশ থেকে পারস্পরিক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। এছাড়া, মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পোশাকের ওপর পারস্পরিক শুল্ক কমানো বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিষয়ে ড. রহমানের প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে সম্মত হয়েছেন তিনি।
উভয়পক্ষ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।
ড. রহমান আশা প্রকাশ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ার ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। সম্প্রতি মার্কিন ভিসা বন্ডে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রেক্ষাপটে তিনি রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে তার সদিচ্ছাকে কাজে লাগানোর আমন্ত্রণ জানান।
এ সময় ড. রহমান বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি তহবিল নিশ্চিত করার অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম ছিলেন।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। তিনি ইউএসটিআর সহকারী ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও একটি পৃথক বৈঠক করেছেন।