যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্রে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটারের এক শতাংশ গরমিল, ১ জন প্রার্থীর হলফনামায় সমস্যা এবং বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীসহ মোট ৬ জনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী–মধুখালী–আলফাডাঙ্গা) আসনে দাখিল করা ১৫ প্রার্থীর কারও মনোনয়ন বৈধ বিবেচিত হয়নি। এর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন স্থগিত এবং ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল, ৬ জনের স্থগিত এবং ২ জনকে আলোচনায় রাখা হয়।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লার নেতৃত্বে যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সোহরাব হোসেন, রামানন্দ পাল, মিন্টু বিশ্বাস, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, আয়কর বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট আসনের বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের মো. ইলিয়াস মোল্লা, জাতীয় পার্টির শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরসহ অন্যান্য প্রার্থী, প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
যাচাই-বাছাইয়ে কাগজপত্রে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটারের এক শতাংশ গরমিল, ১ জন প্রার্থীর হলফনামায় সমস্যা এবং বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীসহ মোট ৬ জনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়। এ ছাড়া ২ জন প্রার্থীকে আলোচনায় রাখা হয়েছে।
স্থগিত হওয়া প্রার্থীদের রোববার বিকেল ৪টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমা দিলে তাদের প্রার্থিতা বহাল থাকবে বলে যাচাই-বাছাইয়ে জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।