জেলা প্রতিনিধি।।
নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে নাক ও গলার অপারেশন একসঙ্গে করতে গিয়ে রিংকি আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর নিহতের পরে মাইজদী শহরে ইএনটি হাসপাতালে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মজিবুল হককে দেখালে তিনি রোগীর গলায়ও টনসিল রয়েছে বলে জানান। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তার অপারেশন করা হয়। এরপর গতকাল সকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগীর মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার মৃত রিংকির আত্মীয়স্বজনরা বিক্ষোভ করেন।
একপর্যায়ে ক্লিনিক ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সুধারাম থানার এসআই লন্ডন চৌধুরী বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত চিকিৎসক মজিবুল হক পালিয়ে গেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনের বক্তব্য নেওয়ার বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্বজন ও এলাকাবাসী বিক্ষোভসহ ক্লিনিক ঘেরাও করেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রইে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সকালে মাইজদী শহরের হাউজিং এলাকার ইএনটি হাসপাতালে।
এদিকে রোগীর মৃত্যুর পর অভিযুক্ত চিকিৎসক নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ মজিবুল হক পলাতক রয়েছেন। নিহত রিংকি আক্তারের বাড়ি সোনাইমুড়ি উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে। তার স্বামী ইতালি প্রবাসী নূর হোসেন। মৃতের স্বামী ও স্বজনরা বলেন, ‘রিংকির সম্প্রতি নাকে পলিপ দেখা দেয়।
পরে মাইজদী শহরে ইএনটি হাসপাতালে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মজিবুল হককে দেখালে তিনি রোগীর গলায়ও টনসিল রয়েছে বলে জানান। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তার অপারেশন করা হয়। এরপর গতকাল সকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগীর মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার মৃত রিংকির আত্মীয়স্বজনরা বিক্ষোভ করেন।
একপর্যায়ে ক্লিনিক ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সুধারাম থানার এসআই লন্ডন চৌধুরী বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত চিকিৎসক মজিবুল হক পালিয়ে গেছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনের বক্তব্য নেওয়ার বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।