
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান অভিযোগ করেছেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গণহত্যা চালিয়েছে। এ ঘটনায় তুরস্ক সরকার নেতানিয়াহু এবং ৩৬ জন ইসরায়েলি শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।
এরদোগান শনিবার বলেন, এই তালিকায় রয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্তজ, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আইয়াল জামির। তুরস্কের বিচার দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর আল-আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলায় ৫০০ জন নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার সরঞ্জাম ধ্বংস করে গাজাকে মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা হয়।
এরদোগান অভিযোগ করেন, ইসরায়েল ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ধারাবাহিকভাবে ‘জাতিগত নিধন’ ও ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ চালাচ্ছে। তুরস্ক-ফিলিস্তিন ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে হামলার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে; ওই হাসপাতাল গাজায় তুরস্ক নির্মাণ করেছিল এবং গত মার্চে সেখানে ইসরায়েলি বাহিনী বোমা ফেলেছে।
গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর ইসরায়েল তা নিন্দা জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সার বলেছেন, এটি তুরস্ক প্রেসিডেন্ট এরদোগানের রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ বা পিআর কৌশল।
এর আগে তুরস্ক দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আসিজি) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা দায়ের করেছিল। বর্তমানে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আঞ্চলিক শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।
সিএনআই/২৫