২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার
৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে জুতা দেওয়া হবে

শেয়ার করুন

দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জুতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

একই সংসদ সদস্যে লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে গণতন্ত্র, সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বিত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।

তিনি আর বলেন, দুর্নীতি দমন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে উন্নয়ন জোরদার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এছাড়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির এই মূল দর্শনকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণ সবার আগে প্রাধান্য দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সমতা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে বেশকিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন এবং পুনঃখননের কার্যক্রম, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার/প্যাগোডা ও গির্জা/চার্চে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানী ও উৎসব ভাতা, ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা দেওয়া, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ ইত্যাদি।

এছাড়া সারাদেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, ‘ই-হেলথ কার্ড’র মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া, পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ এবং এ অর্থবছরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিশুদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণসহ অন্যান্য উদ্যোগ বাস্তবায়নের কার্যক্রম চলমান।

শেয়ার করুন