২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার
১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন বিদেশ সফরে যেতে পারেননি, জানালেন রাষ্ট্রপতি

শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আমার দুইবার বিদেশ সফর ড. ইউনূস আটকে দিয়েছেন। মূলত ওই সরকার চায়নি কোথাও আমার নাম আসুক। আমাকে একদম অন্ধকারে ফেলে রাখার চেষ্টা করেছে। তারা চায়নি জনগণ আমাকে চিনুক, জানুক। এটি আমাকে খুবই কষ্ট দিয়েছে।

গত শুক্রবার একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘গত ডিসেম্বরের ঘটনা। কসোভো থেকে রাষ্ট্রপতিকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল ওখানে একটা অ্যাসেম্বলিতে কি-নোট পেপার পড়ার জন্য। কিন্তু আমাকে যেতে দেওয়া হয়নি। তারপর কাতারের আমির আমাকে দাওয়াত করল ওখানে একটা সামিটে অংশগ্রহণের জন্য। রাষ্ট্রপতি অ্যাড্রেস করবেন। সেই সেমিনারে রাষ্ট্রপতি ছাড়া আর কেউ থাকবে না।’

‘তখন আমার কাছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে একটি চিঠি দেওয়া হলো। চিঠিটি বানিয়ে দেওয়া হলো, তারাই ড্রাফট করল। ড্রাফট করে আমার কাছে পাঠায়। আর ওই দাওয়াতপত্রটাও পাঠায়। চিঠিটার মধ্যে ছিল যে, আমি রাষ্ট্রীয় কাজে ভীষণ ব্যস্ত। সুতরাং এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। আমি দুঃখিত। ওই চিঠিতে আমি যেন সই করে দিই।’

তিনি বলেন, ‘ওই চিঠিটা লেখার সময় আমার সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি, আমাকে জানানোও হয়নি। চিঠিটা দেওয়ার পর আমি জানলাম যে, এ রকম একটা দাওয়াত এসেছিল।

 

 

রাষ্ট্রপতি হেসে বলেন, ‘একজন রাষ্ট্রপতি কি এত বেশি ব্যস্ত থাকে, আমাদের সংবিধানের আলোকে? যাই হোক, পরে আমি ওই চিঠিতে একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে পাল্টা একটি চিঠি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাই। তাতে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন শিষ্টাচারবহির্ভূত ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের অপরাধ না করা হয়, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে চিঠি দিই। ওই চিঠির জবাবে তারা নিরুত্তর ছিল। তবে এরপর আর কোনো দেশ থেকে আমন্ত্রণ এসেছিল কি না, সে বিষয়ে জানার সুযোগও হয়নি।’

তিনি বেলন, ‘শুধু বিদেশে নয়, দেশের কোনো অনুষ্ঠানেও আমাকে যেতে দেয়নি। বিশেষ করে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির যাওয়ার কথা। সেটিও তারা আটকে দেয়।’

সূত্র : কালের কণ্ঠ।

শেয়ার করুন