১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার
১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে পঞ্চগড়, তাপমাত্রা ১০.৯ ডিগ্রি

শেয়ার করুন

কুয়াশায় আচ্ছন্ন পঞ্চগড়, তাপমাত্রা নেমেছে ১০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

পৌষের মাঝামাঝি উত্তরের শীতপ্রবণ এলাকা পঞ্চগড় কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে ঢেকে গেছে। বছরের শেষ দিনে (৩১ ডিসেম্বর) এই শীতল আবহাওয়া আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বছরের শুরুতে ১ জানুয়ারির তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে ওই দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আগামী দিনে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নতুন বছরের শুরুতে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয়দের শীতের অভিজ্ঞতা

স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, দিনে তুলনায় রাতে শীতের অনুভূতি বেশি। তাদের মতে, রাতে তাপমাত্রা যেন মাইনাসের কাছাকাছি নেমে আসছে। শীত মোকাবিলায় অনেকে সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

এদিকে, দিন-রাতের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে শীতজনিত রোগবালাই বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, এবং নিউমোনিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সকালে রেকর্ড করা তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের বছর, ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিগত কয়েক বছরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শীতের এই প্রকোপ পঞ্চগড়সহ দেশের উত্তরাঞ্চলে চরমভাবে অনুভূত হচ্ছে, এবং নতুন বছরের শুরুতে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন