
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আমরা শহীদ মিনারে একত্রিত হবো। সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণাপত্র আসার প্রতিশ্রুতি থাকলেও আমাদের কার্যক্রম থেমে থাকবে না। এই ঘোষণাপত্রের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হয়েছে, তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে পেরেছে।
সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) গভীর রাতে ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, “২৪-এর গণঅভ্যুত্থান রক্ত দিয়ে অর্জিত। এই অভ্যুত্থান আমাদের ভাইদের আত্মত্যাগের ফল। আমরা এই অভ্যুত্থানের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘোষণাপত্র দিতে চেয়েছি। রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সমর্থন চেয়েছি। আমরা আশা করি, এই ঐতিহাসিক দলিলটি গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। তবে আমরা প্রাথমিক বিজয় অর্জন করেছি। সরকার ঘোষণাপত্রের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পূর্ব নির্ধারিতভাবে শহীদ মিনারে একত্রিত হবো।”
‘জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের ঐতিহাসিক দলিল হবে’
তিনি আরও জানান, “৫ আগস্টের মতো আগামীকাল (৩১ ডিসেম্বর) মানুষ শহীদ ভাইদের রক্তে অর্জিত ঘোষণাপত্রের পক্ষে রাজপথে নামবে। গণঅভ্যুত্থানের শক্তি দেখাতে আমরা প্রস্তুত। অন্তর্বর্তী সরকার এই ঘোষণাপত্রের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। জনগণও এর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ।”
‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি ঘোষণা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল জানান, “আজ (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো। এখানে সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত কর্মসূচি থেকে জানানো হবে।”